Breaking News
Home / Report Writing / Price hike: Unimaginable – report writing for classes 9 to 12

Price hike: Unimaginable – report writing for classes 9 to 12

Suppose, you are a reporter for a reputed Daily Star. Now write a report on the rising prices of the essential commodities. Here I share two reports with Bangla translation, which help you to easily remember

(1) Price hike: Unimaginable Sufferings of People.

Homna, Comilla, 19 January 2011: The people of Homna are suffering seriously due to an unusual increase in the prices of daily necessities. The prices of essential commodities have gone beyond the capacity of the poor and fixed-income people. It is found in the local markets that rice sells 70-90 Tk. per kg. flour 40-60, soyabean oil 210, and onion Tk 285 per kg. Prices of all other daily necessaries have been found to increase in the same way. It is learned from the customers and retailers that the market syndicate is mostly responsible for this price hike. Besides, some dishonest people store essential commodities with a view to making a huge profit. This causes a sharp decrease in the supply in the market which contributes to increasing in prices. UNO, Homna, and Sayma Yunus said to this correspondent that the price hike at Homna is nothing new. The whole country is suffering from high prices of commodities due to an increase in prices in the international market and money inflation at the national level. Yet we are alert to check any tampering in the market’ she added. Most the common people do not agree with the UNO. “These are lame excuses. We just want to have the prices within our reach. We just want to survive said Humayun Kabir, a retired primary school teacher locally.

বঙ্গানুবাদ: হোমনা, কুমিল্লা, ১৯ জানুয়ারি ২০১১: নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে হোমনার মানুষ। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম দরিদ্র ও স্থায়ী আয়ের মানুষের ধারণক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। স্থানীয় বাজারগুলোতে দেখা যায়, প্রতি কেজি চাল বিক্রি হচ্ছে ৭০-৯০ টাকা। ময়দা ৪০-৬০, সয়াবিন তেল ২১০, এবং পেঁয়াজ ২৮৫ টাকা কেজি। অন্যান্য সমস্ত দৈনিক প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম একই ভাবে বৃদ্ধি পেতে দেখা গেছে। গ্রাহক ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে জানা গেছে, এই মূল্যবৃদ্ধির জন্য বাজার সিন্ডিকেটই মূলত দায়ী। এছাড়াও, কিছু অসাধু লোক বিপুল মুনাফা অর্জনের লক্ষ্যে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য মজুদ করে রাখে। এটি বাজারে সরবরাহের তীব্র হ্রাস ঘটায় যা দাম বৃদ্ধিতে অবদান রাখে। ইউএনও, হোমনা ও সায়মা ইউনুস এই প্রতিবেদককে বলেন, হোমনায় দাম বৃদ্ধি নতুন কিছু নয়। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি ও জাতীয় পর্যায়ে অর্থমূল্যের মূল্যস্ফীতির কারণে নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্যে ভুগছে সারা দেশ। তবুও আমরা বাজারে যে কোনও টেম্পারিং বন্ধ করার জন্য সতর্ক আছি’, তিনি যোগ করেন। অধিকাংশ সাধারণ মানুষই ইউএনওর সঙ্গে একমত নন। “এগুলো একটা ফালতু অজুহাত। আমরা শুধু আমাদের নাগালের মধ্যে দাম রাখতে চাই। স্থানীয় ভাবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক হুমায়ুন কবীর বলেন, আমরা শুধু বেঁচে থাকতে চাই।

(2) Price Hike

Sharmin Akter, Dhaka, 15 April 2019: In recent times the prices of essential commodities have been on a high rise. All previous records of high prices have already been broken. Rice, fish, meat, chicken, edible oils, groceries, and vegetables are being sold at exceedingly high prices. The price hike hits the common people seriously. While visiting different kitchen markets in Dhaka city yesterday it was found that the price of coarse rice was Tk. 50 per kg. and the fine rice Tk. 60 per kg. The prices of all other necessary items have increased manifolds. this trend of rising prices cannot be controlled, the people of low-income groups will not be to buy their daily necessities and so they will suffer untold suffering. It is good news the authority concerned should have informed us that they have decided to control this If able that situation at any rate.

বঙ্গানুবাদ: শারমিন আক্তার, ঢাকা, ১৫ এপ্রিল ২০১৯: সাম্প্রতিক সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম অনেক বেড়ে গেছে। উচ্চমূল্যের আগের সব রেকর্ড ইতোমধ্যেই ভেঙে গেছে। চাল, মাছ, মাংস, মুরগি, ভোজ্যতেল, মুদি ও সবজি বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষকে মারাত্মকভাবে আঘাত করে। গতকাল ঢাকা শহরের বিভিন্ন কিচেন বাজার ঘুরে দেখা গেছে মোটা চালের দাম কেজিতে ৫০ টাকা। এবং প্রতি কেজি ৬০ টাকা জরিমানা চাল। অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। মূল্যবৃদ্ধির এই প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না, নিম্ন আয়ের গোষ্ঠীর লোকেরা তাদের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিস গুলি কিনতে পারবে না এবং তাই তারা অবর্ণনীয় দুর্ভোগের শিকার হবে। এটি একটি সুসংবাদ যা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আমাদের জানানো উচিত ছিল যে তারা যে কোনও হারে সেই পরিস্থিতিটি সক্ষম হলে এটি নিয়ন্ত্রণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

About eStudyNote

Leave a Reply

Your email address will not be published.